ময়মনসিংহের দুই সেঞ্চুরিয়ান মাহফিজুল ও নাঈম শেখ। ছবি: বিসিবি
জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন মুমিনুল হক, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে তার ছন্দে ফেরা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ইনিংসে ১৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ০ রানের ব্যর্থতার পর তিনি ৯১ বলে ৮৪* রানে অপরাজিত থেকে ভালো স্কোর করেছেন। আলোকস্বল্পতার কারণে শতরান হাতছাড়া হলেও, এটি ছিল তার ফিরে আসার লক্ষণ। চট্টগ্রাম বিভাগ বনাম বরিশাল ম্যাচে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সাদিকুর রহমান শতরান করেন। টস জিতে ব্যাটিং শুরু করা চট্টগ্রাম ৭১ ওভারে ২৬০/৪ রানের স্কোর গড়ে। সাদিকুর ১৫৯ বলে ১২২ রানে আউট হন, সঙ্গে ছিলেন জয় (৩৫) ও মুমিনুল (৮৪*)। মাহফিজুল ইসলাম রবিন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ ময়মনসিংহ বনাম রংপুর ম্যাচে সেঞ্চুরি পূরণ করেন। মাহফিজুল ১৮৮ বলে ১২৭ রানে এবং নাঈম ১১১ রানে আউট হন। তাদের উদ্বোধনী জুটি ২২০ রানে থামে। মেহেদী হাসান মিরাজ তিনটি উইকেট নেন। মিরপুরে খুলনা বনাম রাজশাহী ম্যাচে ১৩ উইকেট পতনের দিনে ব্যাটিং ব্যর্থ হয়। খুলনা ৪৪.৫ ওভারে ১২১ রানে অল-আউট হয়। রাজশাহী ২০ ওভারে ৮৭/৩ তোলার পর আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হয়। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ মিরাজ বোলিংয়ে সফল হয়ে দুটি উইকেট নেন। সিলেটে ঢাকা বনাম সিলেট ম্যাচে বৃষ্টির মধ্যে বোলিংয়ে ভালো করেন ইবাদত হোসেন ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। ঢাকার ইনিংসে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২০ রান হয়। টেস্ট দলে জায়গা প্রত্যাশী মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন অপরাজিত ৩৬ রানে ব্যাটিং করেন। এই রাউন্ডে ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখালেন সাদিকুর, মাহফিজুল ও নাঈম, যেখানে মুমিনুলের প্রত্যাশা এখনও রয়ে গেছে, তবে আগামীর ম্যাচে তিনি শতরানের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন। সংক্ষিপ্ত স্কোর (প্রধান): চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: ২৬০/৪ (সাদিকুর ১২২, জয় ৩৫, মুমিনুল ৮৪*; বোলারদের মধ্যে ইয়াসিন ১ উইকেট) ময়মনসিংহ ১ম ইনিংস: ২৮১/২ (মাহফিজুল ১২৭, নাঈম ১১১; সাকলাইন ১ উইকেট) খুলনা ১ম ইনিংস: ১২১ (নিহাদ-উজ-জামান ৩ উইকেট, মেহেরব ৩ উইকেট) রাজশাহী ১ম ইনিংস: ৮৭/৩ ঢাকা ১ম ইনিংস: ১২০/৫ (ইবাদত ৩ উইকেট, খালেদ ২ উইকেট)